উট

উটকে মরুভূমির জাহাজ বলা হয়। কারণ উটসহজে মরুভূমির বালুময় পথে চলতে পারে।তাই উটের পিঠে চড়ে মানুষ মরুময়পথে যাতায়াত করে। উট সাধারণতযে ধরনের ঘাসখেয়ে বেঁচে থাকতে পারে যা অন্য প্রাণীর পক্ষে মোটেও সম্ভব নয়। এমনকি কাঁটা গাছখেয়েও উট সহজেই হজম করতে
 

কিপুনজি

নতুন ধরনের এই বানরটি ওয়াইল্ড লাইফকনজারভেশন সোসাইটির জীববিজ্ঞানী টিমড্যাভেনপোর্ট ২০০৩ সালে আবিষ্কারকরেন। তিনি তানজানিয়ার রুঙ্গী পর্বতে কাজকরার সময় স্থানীয় লোকেরা যেসব পশুস্বীকার করত এবং সেসব পশুসম্পর্কে তারা জানত তার খোঁজ নেন। কিছু লোক কিপুনজি নামে একটি নতুন ধরনেরবড় বানরের কথা
 

লংকাবি বেন্ট টোড গেকো

উত্তর-পশ্চিম মালয়েশিয়ারএকটি দ্বীপে ডক্টর লি গ্রিসমার এবং তারদল ২০০৮ সালে এই অনন্য সাধারণটিকটিকিটি আবিষ্কার করেন। চমৎকার দৃষ্টিশক্তি ব্যবহারকরে এরা বনে শিকার ধরে। এই বনেরটিকটিকিগুলো সম্প্রতি লাইমস্টোন গুহায়খুঁজে পাওয়ায় এগুলোকে এ দশকের আবিষ্কারবলা হয়েছে। উলেস্নখযোগ্য কিছু পার্থক্য ছাড়া গুহারটিকটিকিগুলো বনের টিকটিকির
 

ঘোড়া

প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে মানুষ প্রথমঘোড়াকে নিজেদের কাজে লাগাতে শুরু করে।তারপর থেকে আজ পর্যন্ত ঘোড়াকে বিভিন্নজাতের মধ্যে মিশ্রণ ঘটিয়ে মানুষচেষ্টা করেছে নতুন জাতের উদ্ভাবন করতে।আর মানুষ তা পেরেছেও। কমপক্ষে এমন ১৫০টি শঙ্কর প্রজাতিরঘোড়া আছে ঘোড়া পরিবারে।একেবারে লিলিপুটফালাবেল্লা প্রজাতি থেকে
 

তুয়াতারা

আশ্চর্য এক প্রাণী তুয়াতারা। যার বয়স ২০কোটি বছর। এখনো এ প্রাণীটি বেঁচে আছে।বিজ্ঞানীরা তাই অবাক হয়ে তুয়াতারারনাম দিয়েছেন জীবন্ত জীবাশ্ম। যেমন এনামে ডাকা হতো সিলাকনথ মাছকে।তেরো কোটি বছর আগের মাছটি জীবিতাবস্থায় প্রথম ধরা পড়েছিল১৯৩৮ সালে মাদাগাস্কারের উপকূলে। তুয়াতারাকে নিয়ে বিস্ময়ের
 

সাম্যবাদী☼কাজী নজরুল ইসলাম

গাহি সাম্যের গান–যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধানযেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম-ক্রীশ্চান ।গাহি সাম্যের গান ! কে তুমি ?-পার্সী ? জৈন ? ইহুদী ? সাঁওতাল,ভীল, গারো ?কনফুসিয়াস ? চার্বাক-চেলা ? বলে যাও, বলআরো !বন্ধু যা খুশি হওপেটে-পিঠে, কাঁধে-মগজে যা-খুশী পুঁথি ও
 

বড় খাটাশ

নিশাচর প্রাণী বড় খাটাশ ডোরাকাটা একভয়ংকর-দর্শন প্রাণী। ধূসর শরীর,তাতে হলুদাভ আভা। সারা গায়ে ধূসর-কালো ডোরা ও ছোপ, লেজের অধিকাংশ ওমুখের কিছু অংশ কালো। শুধু শরীরের মাপ৮০-৮২ সেমি। লেজ ৪৫-৫০ সেমি, ওজন ৩০-৩৫ কেজি। জেদি, সাহসী, লড়াকু ওশিকারি হিসেবে এরা অবশ্যইস্বীকৃতি
 

আপনার blogspot সাইট কে সাজান নিজের মত করে(পর্বঃ১০)|আপনার ব্লগে যুক্ত করুন ভিন্ন রকম Social Icons

আসসালামু আলাইকুম।কেমন আছেন আপনারা?আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমরা যারা কাস্টম থিম বা ব্লগার এর থিম ব্যাবহার করি…সাধারণত তাদের ব্লগে Follow us onবাটন গুলি থাকেনা।আমি আজকে আপনাদের দেখাবো কিভাবে আপনার ব্লগে এই বাটন গুলি যুক্ত করবেন। 1. Go To Blogger Layout
 

ফেজারভারিয়া আসমতি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েরশিক্ষার্থী সাজিদ আলী হাওলাদার বিরলপ্রজাতির এক ব্যাঙ আবিষ্কার করেছেন।তার এই আবিষ্কার বাংলাদেশেরপ্রাণিবিদ্যা চর্চার ইতিহাসে এক নতুনঅধ্যায়ের সূচনা করেছে এবং প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে নতুনকোনো প্রাণী আবিষ্কারের রেকর্ড করেন।শুধু তাই নয়, তার এই আবিষ্কারেরকথা বিশ্বের বিখ্যাত বন্যপ্রাণী বিষয়কজার্নাল জুট্যাক্সাতে প্রকাশিত হয়েছে।
 

বালুবোড়া সাপ

বালুবোড়া নিরীহ, নির্বিষ, শ্লথগতির সাপ।স্ত্রী সাপ লম্বায় সাধারণত এক মিটার হয়।পুরুষটি ছোট হয় একটু। লেজসহ লম্বা ঠিক ৬০সেন্টিমিটার। শুধু লেজ ৫ সেন্টিমিটার।গলার বেড় প্রায় ৬ সেন্টিমিটার। পিঠেরবেড় ৭ সেন্টিমিটার। লেজের গোড়ার বেড় ৪ সেন্টিমিটার। এই অতি বিরল সাপটিরইংরেজি নাম Common
 

চিতা বিড়াল

একসময় গাছপালাসমৃদ্ধ গ্রামের ঝোপ-জঙ্গলে দেখা গেলেও এখন সংখ্যায় অনেককমে গেছে। কেবল দেশের বনাঞ্চলে এইচিতা বিড়ালের (Prionailurusbengalensis) সংখ্যা কিছুটা ভালো। ২০০৭সালে বিড়ালটিকে লাউয়াছড়া বনে দেখি। এ বছরের প্রথমদিকে লাউয়াছড়া অরণ্যে আবারচিতা বিড়ালের দেখা মিলল। দুপুরেরদিকে বিড়ালটি বনের তিন ঘণ্টারট্রেইলের শেষেরদিকে হাঁটাহাঁটি
 

পাতাল নাগিনী

অতি দুর্লভ, সুদর্শন ও রহস্যময় এই সাপটিরনামও খুব সুন্দর। ‘পাতাল নাগিনী’।এটি নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলারস্থানীয় নাম। সাপটি থাকে নদীরতলদেশে। কিছুক্ষণ পর পর শ্বাস নেওয়ারজন্য সরু মাথা-ঘাড়ের প্রায় ১ ফুট অংশ তীরের ফলার মতো জাগিয়ে দেয় পানিরওপর। খুব সুন্দর দৃশ্য সেটা।
 

খাঁড়ির কুমির

বিশ্বব্যাপী কুমিরের মোট২৭টি প্রজাতি আছে। এদেরমধ্যে তিনটি ঘড়িয়াল, মিঠা পানির কুমিরও খাঁড়ির কুমির বাংলাদেশের নদী, খাল-বিলে পাওয়া যেত। ৬০-৭০ বছরআগে মিঠা জলের কুমির ও ৩০ বছর আগে ঘড়িয়াল বিলুপ্ত হয়ে গেছে।কায়ক্লেশে টিকে আছে শুধু খাঁড়ির কুমির।প্রধানত, পূর্ব সুন্দরবনে। পশ্চিমসুন্দরবনে কুমির
 

গণ্ডার

গণ্ডার স্থলচল প্রাণীর মধ্যে অন্যতমবৃহত্তম জীব। গায়ে পুরু চামড়ার আস্তরণ আরনাকের উপর খড়ক এই প্রাণীর বৈশিষ্ট্য। রিয়াদ হোসেন Iam a very simple boy & a blogger http://www.iamRIYADH.TK
 

আপনার blogspot সাইট কে সাজান নিজের মত করে(পর্বঃ০৯)|আপনার ব্লগে যুক্ত করুন Recent Comments Widget

এই পোস্ট 9 of 43 পর্বে অন্তর্ভুক্ত ব্লগার টিউটোরিয়াল আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন আপনারা?আশাকরি সৃর্ষ্টিকর্তার রহমতে সবাই ভালো আছেন।আজকে আমরা যে বিষয় নিয়ে আলোছনা করব তা হচ্চে।…কি ভাবে আমাদের ব্লগে Recent Comments Widget বসাবো।Recent Comments Widget টা দুই ধরণে বসানো
 

কস্তুরী মৃগ

বিশেষ জাতের পুরুষ হরিণেরতলপেটে জন্মানো থলের মধ্যে থাকা একধরনের সুগন্ধি দ্রব্যকেই কস্তুরী বলে। এইহরিণের নাম কস্তুরী মৃগ। সাধারণতপাহাড়ি এলাকার হরিণের মধ্যেইকস্তুরী পাওয়া যায়। রিয়াদ হোসেন Iam a very simple boy & a blogger http://www.iamRIYADH.TK