সবচেয়ে বেশি আয় সাকিবের

গ্ল্যামার এবং আর্থিকভাবে সমৃদ্ধশালী ক্রিকেটার বলতে স্বাভাবিকভাবে ভারতীয় ক্রিকেটারদেরকেই বুঝানো হয়। তবে এই তালিকায় এখন আলোচিত বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও। কারণ বাংলাদেশের ক্রিকেটারদেরকে দেশের বীর হিসেবে বিবেচনা করেন ভক্ত-অনুরাগীরা। ক্রিকেটারদের সব সময় তাদের মাঠের পারফরমেন্স দিয়েই বিবেচনা করা হয়।

তবে এবার মাঠের বাইরেও ক্রিকেটারদের তালিকায় সবার উপরে পাওয়ার গেলো সাকিব আল হাসানকে। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অর্থ উপার্জনকারী ক্রিকেটারদের মধ্যে সবার উপরে সাকিব আল হাসান। আইপিএল, বিপিএল, বিগব্যাশ, ক্যারিবিয়ান লিগ ছাড়াও বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন পাকিস্তান ক্রিকেট লিগে খেলার জন্য।

তাছাড়া মাঠের বাইরেও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্যদূত ও নিজের রেস্টুরেন্ট এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসা থেকেও বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হচ্ছেন বিশ্বসেরা এই আলরাউন্ডার। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) গত বছরও কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলেছেন সাকিব আল হাসান। আইপিএলের সর্বশেষ সংস্করণে সাকিবের মূল্য ছিল চার লাখ ২৫ হাজার ইউএস ডলার।

বিপিএলের প্রথম দুই আসরে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক নির্ধারিত হয়েছিল নিলামের মাধ্যমে। কিন্তু এবার দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিকের শ্রেণিবিন্যাস আগেই ঠিক করে দেয় বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পান ৩৫ লাখ টাকা। সেক্ষেত্রে রংপুর রাইডার্সের সাকিব আল হাসান পান সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা।

আইপিএল, বিপিএলের পর কিছু দিনের মধ্যেই শুরু হতে যাওয়া পাকিস্তান সুপার লিগেও (পিসিএল) খেলছেন সাকিব আল হাসান। ক্রিকেটারদের পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে- প্লাটিনাম, ডায়মন্ড, গোল্ড, সিলভার ও এমার্জিং।

সাকিব প্লাটিনাম ক্যাটাগরিতে রয়েছেন। আর প্লাটিনাম ক্যাটাগরির খেলোয়াড়রা পাবেন এক লাখ ৪০ হাজার ডলার। অর্থ্যাৎ বাংলাদেশি টাকায় বিশ্বসেরা এইঅলরাউন্ডার পাবেন এক কোটি নয় লাখ ১৯ হাজার টাকা।

ব্যাট হাতে দ্যূতি ছড়ানো সাকিব আল হাসানের সাফল্যের জুরি নেই মাঠের বাইরেও। বাংলাদেশের শীর্ষ সারির অসংখ্য পণ্যের, টেলিকম কোম্পানি এবং ব্যাংকের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর তিনি। এসবের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো, পেপসি, ক্যাস্ট্রল, নর্টন এন্টিভাইরাস, বুস্ট, লাইফবয়, স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক। এগুলো ছাড়াও সাকিবের রয়েছে নিজস্ব রেস্টুরেন্ট এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের ব্যবসা। যা থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জিত হচ্ছে তার।

আর এগুলোই প্রমাণ করে সাকিব বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অর্থ উপার্জনকারী ক্রিকেটার। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অর্থ উপার্জনকারীদের মধ্যেও সে অন্যতম।

1

No Responses

Write a response