শরতের কাল

এই পোস্ট 43 of 44 পর্বে অন্তর্ভুক্ত ব্লগার টিউটোরিয়াল

সাদা সাদা মেঘের ভেলা শরতের আকাশ, দুর থেকে তাকিয়ে থাকলে নীল আকাশের গভীরতা লক্ষ্য করা যায় মন কে ছুঁয়ে যায় নীল আর সাদা, মেঘে সাজানো খোদাই করা আকাশ। দুর থেকে পরন্তু বিকেল সুর্য ডোবে ডোবে তার আগে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলে স্বর্গ গৃহে ছবি একে রেখেছেন কভু কেউ সাজিয়ে হৃদয় আঙিনায় চমকে উঠে কিছু ক্ষন মুগ্ধ করা শরতের বিকেল। আকাশ কখনো মনে হয় দুর বিলে একটু ঘুরে আসা যাক দেখা মেলল কাশবনের কাশফুলের রাশি রাশি ফুটে হেলান খাচ্ছে বাতাসের সাথে নির্মল কোমলতা বাতাস কখনো কাউকে ছুঁয়ে যায় আঁচলের উড়িয়ে কিছু ক্ষন হরেক ডানায় প্রজাপতি রঙে উরে এক মুগ্ধতা বিকেল ভরে গেছে কানায় কানায় । আবার কখনো রোদ মেঘের লুকোচুরি কখনো রোদ কখনো শরতের কাল আবার মেঘের ছায়া কখনো ঝলকে রোদের ছড়াছড়ি আঁকা বৃত্তের অকংন মেঘের ছুটা ছুটি মনকে ক্ষানিক টা জাগিয়ে তোলে শরতের আকা দৃশ্যে। চারদিক বর্ষার বিদায় লগ্নে প্রকৃতি সাজে নানান রঙে ঝর বৃষ্টি বর্ষার তীব্রতা থামিয়ে নিজ পায়ে দাঁড়িয়ে বাঁচতে চায় প্রকৃতি কিছু ক্ষন ।
গাছে গাছে ফোটা শিউলি ফুল গাছ তলায় পড়ে ভুরে ভুরে শিউলি ফুলের আকুল গন্ধে মাতিয়ে দোলে শরতের সিন্নিগ্ধ ছবি।হাসনাহেনা ফুলের ছবি ভেসে উঠে শরতের দৃশ্যে। প্রকৃতি প্রেমি বাঙালি মানুষ গুলো বদলে যায় ঋতু বন্দনায় ।
তাছাড়া শরতের ভেলায় এক নতুন প্রানের উচ্চাস প্রানীদের ভিতর অভিন্নতার রূপ ছবি পরিবর্তনের কিছু লক্ষ্য করা যায় নিজ মনে চল হাল পাল গেঁথে নতুন পৃথিবীর মুখ না তারা দেখল নতুন ঘাস নতুন কচি খেতে বন জঙ্গল খাওয়া ভোগী পশুদের চিত্র প্রফুল্লতা রেস অখুন্ন রয়ে যায় চিত্রে । পাখি কুলের ভিতর উড়ে যায় অজানা ঠিকানায় খাবার খেতে শরতের বিলে। নদীর বাতাসে ঢেউ খেলা করে ।ভাদ্র ও আশ্বিন এই দুই মাস নিয়ে শরৎকাল। কিন্তু ভাদ্রের মাঝামাঝিতেও দখল ছাড়তে নারাজ বর্ষা। যে শরৎকে দেখে আমরা গাই ‘আমার রাত পোহালো শারদ প্রাতে’, সেই অপরূপ ঋতুর সঠিক রূপটি ফোটে কিন্তু আশ্বিনেই।
বর্ষার বিদায়ে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন – ‘কালো মেঘের আর কি আছে দিন, ও যে হলো সাথী হীন।’ ভাদ্র মাসেও তো সাথিহীন হওয়ার লক্ষণ নেই কালো মেঘের।
নীল আকাশের সাদা মেঘের আনাগোনা হটিয়ে
আর শরৎ-সোনার আলো নিভিয়ে দিয়ে
বর্গীর মতো হঠাৎ হঠাৎ হামলা দেয় কালচে
ধূসর মেঘ। কিছু ছন্দে বলা যাক শরতের ছবি আজ লেখায় কন্ঠে

নীল গগনে শরতের সাদা সাদা মেঘ মেঘের ভেলা,

কাশবনের ফুল ফোটে ফোটে বাতাস খেলে তরঙ্গ খেলা।
পাগলা হাওয়া মাতাল করা আঁচল ছুঁয়ে ছুঁয়ে উড়ে,
এক পলক অচেনা ছেলে মেয়ে কাশফুল ছিড়ে মুঠো ভরে।
গাছের তলায় বিছিয়ে পড়া শিউলির গন্ধ অকুল করা ঝর,
শ্রবণের ধারায় মুছে কাপুন বিটপি শ্রেণীর দুয়ার সস্তিধর।
ভাদ্র আশিন দুয়ে মিলে শ্রাবণ বিদায় লগ্নে শরৎ হেতু রাজত্ব।
গাঢ় ঘন নীল আকাশ খন্ড খন্ড মেঘে ভেসে আসা
রানীর শাশ্বত।
দিনভর সোনা ঝরা রোদ মৃদুমন্দা নদীতে বাতাস ঢেউ খেলে ।
গাছ পালা নদী নালা প্রকৃতিতে যেন ছড়া ছড়ি
বইয়ে মেলে।
রোদ মেঘের ছায়া লুকোচুরি পাহারা দেয় খ্যাত মাঠে কোনায়,
পাখি কুলের উড়া উড়ি কিচির মিচির ডেকে হারায় দুর অজানায়।

1

No Responses

Write a response