বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে টাইগারদের সেরা পাঁচ জয়

ক্রিকেটের জনপ্রিয় ওয়েব সাইট ইএসপিএনক্রিকইনফো’র প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সেরা পাঁচ জয়। যার সবকটিই আবার একদিনের ক্রিকেটে।
1426174409

১৯৯৯ বিশ্বকাপ। তাও আবার নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ। ক্রিকেট( Cricket ) মহাযজ্ঞের নবীণ দলটিই হারিয়ে বসে ১৯৯২ বিশ্বকাপের( World Cup) চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তানকে( Pakistan )। আর আওয়াজ দিয়েছিল, ক্রিকেটে আমরাও আসছি জাত চেনাতে। ঐ ম্যাচে পাকিস্তানকে ৬২ রানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ম্যাচের জয়ের নায়ক ছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। যদিও ‘৯৯ বিশ্বকাপে রানার্স আপ হয়েছিল পাক ক্রিকেট বাহিনী।

আশরাফুলের শত রানের মহাকাব্যিক ইনিংস। আর তা কিনা জিতিয়ে দিয়েছিল ক্রিকেট বিশ্বে সে সময়ে অপরাজেয় পরিণত হওয়া অস্ট্রেলিয়াকে। ক্রিকেটের ব্যাতে-বলের রাজ্যে অস্টেলিয়ার তখন চলছিল দূর্দান্ত প্রতাপ। টাইগারদের কার্ডিফ ইতিহাস কখনো মুছে যাওয়ার নয়। ৫ উইকেটের ব্যাবধানে জয়ের পর হাবিবুল বাশারের উক্তি ছিল, ”পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ আমি।”

ত্রিনিদাদের পোর্ট অব স্পেনে শুরু ২০০৭ বিশ্বকাপ। ছিল ডেথ গ্রুপে। প্রতিপক্ষ আগের বিশ্বকাপের রানার্স আপ ভারত (India ), শ্রীলঙ্কা ও বারমুডা। গ্রুপ পর্বে পেরোতে হলে হলে শুধু বারমুডা নয় হারাতে হবে ভারত কিংবা শ্রীলঙ্কার মত দলকে। আর সে কাজটিই করেছিলেন তৎকালীণ টাইগার কোচ হোয়েটমোরের প্রিয় শিষ্য মাশরাফি। ৫ উইকেটের এ জয়ে বাংলাদেশ শুধু গ্রুপ পর্ব ই পেরোনি, বিশ্বকাপ থেকে বিদায় করে দিয়েছিল টিম ইন্ডিয়াকে (India )।

দিনক্ষণ ১৪ অক্টোবর। শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ৯ রানে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবারের মত ক্রিকেটের বড় কোন দলের বিপক্ষে সিরিজ জেতে সাকিব বাহিনী। আর ম্যাচটি হয়ে থাকলে নিজেদের ইতিহাসের অংশ। ম্যাচে শতক হাকনো ও বলে সফল সাকিব আল হাসান ( Sakib Al Hasan ) ই অবধারিতভাবে ম্যাচের নায়ক।

ঘরের মাঠিতে বিশ্বকাপ( World Cup )। তাও আবার হারের বৃত্তে। টাইগাররা ঢাকা থেকে রওয়ানা দেয় চট্টগ্রামে। প্রতিপক্ষ ক্রিকেটের সুথিগাতাকার ইংল্যান্ড। ভয় নয়; যেন জয় চায় এ মন্ত্রে দীক্ষিত ছিল দলটি। রুদ্ধশ্বাসের এ ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পায় ২ উইকেটে। ইমরুল কায়েস ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হলেও মাচের সত্যিকারের নায়ক ছিলেন শফিউল।

No Responses

Write a response