ধূমকেতুতে অবতরণ করবে স্পেসক্র্যাফট

ধূমকেতুতে অবতরণ করবে স্পেসক্র্যাফট ধূমকেতুর বুকে অবতরণ করতে যাচ্ছে স্পেসক্র্যাফট। ইতোমধ্যেই ধূমকেতুটির চারদিকে ঘুরতে শুরু করেছে নভোযানটি।

আগে ধূমকেতুকে জ্যোতির্বিদ্যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা না হলেও ষোড়শ শতাব্দীর দিকে প্রথমবারের মত এটিকেও জ্যোতির্বিদ্যায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর বুকে রয়েছে জমাট গ্যাস, পাথর এবং ধূলিকণা। সাম্প্রতিক সময়ে এটি জানা গেছে।

আর এটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চালিয়ে আসছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। প্রায় ১০ বছর সাধনার শেষে অবশেষে সফল হতে যাচ্ছেন তাঁরা। অবশেষে তাঁরা ধূমকেতুর কক্ষপথে নভোযান পাঠাতে সক্ষম হয়েছেন।

Rosetta নামক নভোযানটি ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০৫ মিলিয়ন কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছে এবং অবশেষে চলতি মাসের ৬ তারিখে 67P/Churyumov-Gerasimenko নামক ধূমকেতুর কক্ষপথে পৌছাতে সমর্থ হয়।

ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি’র মহাপরিচালক Jean-Jacques Dordain জানান,” ১০ বছর ৫ মাস এবং ৪ দিন পাড়ি দেওয়ার পর, সূর্যকে ৫ বার পরিভ্রমণ শেষে আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি, অবশেষে আমরা এখানে”।

বর্তমানে নভোযানটি এবং ধূমকেতুটি ঘণ্টায় ৫৫,০০০ কিলোমিটার বেগে ছুটছে। ইতোমধ্যেই এটি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাঠাতে শুরু করেছে Rosetta। ধূমকেতুটির পৃষ্ঠের তাপমাত্রা -৭০º সেলসিয়াস। এ থেকে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এর পৃষ্ঠ পরিষ্কার এবং বরফ শীতল হওয়ার পরিবর্তে অন্ধকার এবং ধূলিময় হতে পারে।

বর্তমানে ধূমকেতুটি থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে Rosetta এবং আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে আরও নিকটে যাবে। আগামী নভেম্বরে নভোযানটির একটি অংশ যার নাম Philae, ধূমকেতুর পৃষ্ঠে অবতরণ করানোর পরিকল্পনা করছেন।

আর এটিকে সেখানে অবতরণ করানোর ক্ষেত্রে বেশ ঝক্কিও রয়েছে। কারন সেখান যদি দরকারমত সূর্যের আলো না পাওয়া যায়, তাহলে দুটি ঘটনা ঘটতে পারে। প্রথমত, আলো কম থাকলে রিচার্জ করতে সমস্যা হবে। দ্বিতীয়ত, আলোর পরিমাণ বেশি হলে অতিরিক্ত তাপের কারনে এটি অকেজো হয়ে যেতে পারে।

সোর্সঃ ইন্টারনেট

No Responses

Write a response