দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ পেতে গুগল ওয়াই-ফাই

দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ পেতে এখন ওয়াই-ফাই বাড়ি,শপিংমল,রেস্টুরেন্ট সব জায়গায় দেখা যায়।এই যন্ত্র ব্যবহার করেই এখন বেশির ভাগ মানুষ ইন্টারনেট সুবিধা পাচ্ছে।এখন দ্রুত গতির ইন্টারনেট পেতে ব্যবহার করুন গুগল ওয়াই-ফাই।একটি গুগল অ্যাকাউন্ট ও আইওএস/অ্যান্ড্রয়েড ফোন থাকলেই এই সুবিধা পাওয়া সম্ভব।তবে তার জন্য অবশ্যই আগে ফোনটিতে ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে।একবার সেট আপ হয়ে যাওয়ার পর গুগল ওয়াই-ফাই সব সময় গুগলের সাথে সংযোগ ধরে রাখবে এবং নিজের গুগল অ্যাকাউন্ট থেকে আপনি যখন খুশি এর সব কিছু পরিবর্তন করতে পারবেন।

গুগল থেকে জানানো হয়েছে,কোন গুগল ওয়াই-ফাই ব্যবহারকারীর ডাটা সংগ্রহ করা হবে না,এমনকি কোন সাইটে ভিজিট করছেন এই তথ্যও সংগ্রহ করা হবে না শুধুমাত্র হার্ডওয়্যার,অ্যাপস এবং নেটওয়ার্ক সংশ্লিষ্ট তথ্য নেয়া হবে গুগল থেকে। সেটিংসের প্রাইভেসি অংশ থেকে এগুলোও বন্ধ করা যাবে।গুগল ওয়াই-ফাই হ্যাক করা খুবই কঠিন কারন নিয়মিত এর আপডেট হতে থাকে।গুগল ওয়াই-ফাই পেতে এর সিগনাল ইউনিটের জন্য ১২৯ ডলার লাগবে এবং এর পুরো সেটের জন্য খরচ হবে ২৯৯ ডলার।এর সেট আপ খুবই সহজ। খুব কম সময়ের মধ্যেই সেট আপ সম্পন্ন হয়ে যায়।এই ওয়াই-ফাই দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে এবং প্রতি সেকেন্ডে ৪৭০ মেগাবাইট স্পীড দেয় নিয়মিত।

Wifi

তবে তারবিহীন সংযোগে যত বেশি দূর পর্যন্ত সংকেত ছড়িয়ে দেওয়া হয়, এর গতি ততই কমে আসে। এটাই ওয়াই-ফাই এর নিয়ম। তবে ফার্স্ট রাউটার ইউনিটের আশপাশে স্যাটেলাইট ইউনিট বসিয়ে গতি স্থিতিশীল রাখা সম্ভব।তিনটি ইউনিটের সিস্টেম বা সিগনাল ইউনিট হিসাবে দারুণ কাজ করে এটি। চারটি ল্যাপটপে একযোগে কাজ করে পরীক্ষা করেছেন বিশেষজ্ঞ। কাজে কোনো সমস্যা হয়নি। সিস্টেমটি নিয়মতি এয়ার স্পেস বিশ্লেষণ করতে থাকে। পরিষ্কার চ্যানেলের খোঁজে থাকে যন্ত্রটি।অনেক দিক থেকেই গুগলের অতীতের হোম রাউটারের ক্ষেত্রে রীতিমতো বিপ্লব এনেছে নতুন যন্ত্রটি। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, একটি ইউনিটের পরিবর্তে এতে তিনটি ইউনিট মিলবে। প্রত্যেক হার্ডওয়্যার ইউনিটকে বলা হয় ওয়াই-ফাই পয়েন্ট বলা হয়। একটি ইউনিট নিলে একটি ওয়াই-ফাই পয়েন্ট মিলবে। একটি ইউনিটে ১২০০ বর্গফুট স্থানজুড়ে ওয়াই-ফাই সংকেত থাকবে। আর তিনটি ইউনিটে থাকবে ৪০০০ বর্গফুট।

প্রথম ইউনিটটি মূল রাউটার হিসাবে কাজ করবে। ঠিক যেন একটি ব্রডব্যান্ড মডেম। বাকিগুলো ওয়াই-ফাই কাভারেজ হিসাবে কাজ করবে। অ্যাপের মাধ্যম গোটা বাড়ির নেটওয়ার্ক ভিজ্যুয়ালাইজ হবে। যেকোনো যন্ত্রে সংযোগ নেওয়া যাবে। একটি বা একধিক যন্ত্রের সংযোগ পজ করা যাবে।গুগল ওয়াই-ফাই ব্যবহারে কাভারেজ বা ইন্টারনেট গতি অসাধারণ। অন্তত অন্যান্য যন্ত্রের চেয়েও ভালো পাবেন।

No Responses

Write a response