ডিম ফোটানোর নতুন যন্ত্র বের করল সদেশের ছাত্ররা

ডিম ফোটানোর নতুন যন্ত্র বের করল সদেশের ছাত্ররাঢাকা:ডিম ফোটানোর জন্য বাজারে যে ইনকিউবেটর যন্ত্র রয়েছে, তার দাম কয়েক লাখ টাকা। একজন ছোট খামারির পক্ষে এতটা ব্যয়বহন মোটেই সহজ নয়। ক্ষুদ্র খামারিদের সে চাপটি সহজ করবে সৌরভ-ডেভিডের ‘অভিনব’ ইনকিউবেটর।

সৌরভ মুখোপাধ্যায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন টেকনোলজির ছাত্র এবং ডেভিড মন্ডল বাণিজ্যের ছাত্র। কাঠ ও বোর্ড দিয়ে অনাড়ম্বর কিন্তু বিজ্ঞানসম্মতভাবে তৈরি করেছেন ‘অভিনব’ ইনকিউবেটর। পরীক্ষামূলকভাবে তারা একটি স্বনির্ভর দলকে দিয়ে ব্যবহারও করিয়েছেন। এতে আশানুরূপ সাফল্য মিলেছে বলেও দাবি সৌরভ-ডেভিডের।

ইনকিউবেটরে সাধারণত ৩০০ থেকে ৫০০ ডিম ফোটানো যায়। আর উদ্ভাবিত এই নতুন মডেল ইনকিউবেটরে একসঙ্গে ১ হাজার মুরগির বাচ্চা ফোটানো যাবে। অথচ উদ্ভাবিত এই নতুন ইনকিউবেটরের ব্যয় মাত্র সাড়ে ৬ হাজার টাকা (ভারতীয় মুদ্রায়)। কোনো বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াই শুধু কেরোসিন তেল খরচ করেই দিব্যি চালানো যাবে ব্যবসা।

দেখতে এই ইনকিউবেটর অনেকটা ওয়াড্ররোবের গড়ন। পাঁচটি তাক। দুই পাল্লার দরজা। একেবারে নিচের তাকে তিনটি কেরোসিনের বাতি জ্বলছে। তার ওপরের তাকে বালু ছড়ানো। রাখা আছে পানিভর্তি মাটির মালসা। পরের তিনটি তাকে ডিম রাখার কাগজের মন্ডের ট্রে পর পর সাজানো। তাতে সাজানো ডিম। কোনোটা থেকে উঁকি মারছে সদ্য ফোটা মুরগির বাচ্চা।

একটি মুরগি প্রাকৃতিকভাবে যেভাবে ডিম ফোটায়, কৃত্রিমভাবে তেমনই ব্যবস্থা রয়েছে ইনকিউবেটরে। নতুন সংস্করণে একসঙ্গে ডিমের তাপমাত্রা নির্দিষ্ট রাখা হয় বাতির তাপমাত্রা বাড়িয়ে কমিয়ে। তার ওপরের তাকে রাখা মালসার পানি আর বালু আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করে। যান্ত্রিক ইনকিউবেটরের মতোই এখানেও ২১ থেকে ২২ দিনে ডিম ফুটতে শুরু করে।

সৌরভ বলেন, ‘বাংলাদেশ আর নাইজেরিয়ার এ রকম কিছু উদ্যোগ ইউটিউবে দেখেছিলাম। সেটাই পথ দেখিয়েছে।’

সোর্সঃ ইন্টারনেট

মন্তব্যগুলি

মন্তব্যগুলি

1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (No Ratings Yet)
Loading...