গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>বিশ্বের সবচেয়ে শক্তি শালী বালক

এই পোস্ট 14 of 24 পর্বে অন্তর্ভুক্ত গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস


বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বালক সাত বছর বয়সী গিউলিয়ানো স্ট্র। বোতলের ওপর শরীরের ভারসাম্য রেখে এ রেকর্ড গড়েছে সে। সবুজ রঙের চারটি কাচের বোতলের ওপর হাত ও পা রেখে পুরো শরীর শূন্যে উত্তোলন করেছে রোমানিয়ার এই বিস্ময় বালক। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে ‘বিশ্বের শক্তিশালী বালক ’ হিসেবে ইতিমধ্যেই তার নাম উঠেছে। ২০০৯ সালে প্রি -স্কুল ছাত্রদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়ার সুবাদে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে শক্তিধর শিশুর খেতাব পায় সে। খেলায় ভারি একটি বল পায়ে নিয়ে হাতে ভর দিয়ে ১০ মিটার দৌড়াতে হয়েছিল। আপলোড করার প্রথম চার দিনে ভিডিওটি ১ লাখ ৪৬ হাজার ৬২২ বার দেখা হয়েছে। গিউলিয়ানো স্ট্রোয়ে , বয়স মাত্র সাত। কিন্তু এরই মধ্যে তার নাম উঠে গেছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে ‘শক্তিমান বালক ’ হিসেবে ! কী করেছে সে ? তা ইউটিউবে গিয়ে ‘কিডস ডাজ পুশ আপস অন গ্লাস বোটলস ’ লিখে সার্চ দিলেই দেখা যাবে। দেখা যাবে , লিকলিকে এক ছেলে চারটা কাচের বোতলের ওপর ভর করে মাটি থেকে এক ফুট ওপরে উঠে পুশ-আপ করছে। তা -ও একটা বা দুটি নয়, পুরো ১২টি পুশ আপ, যা অনেক বিশালদেহী পালোয়ানরাও করতে পারে না। তবে এটাই গিউলিয়োনোর প্রথম ওয়ার্ল্ড রেকর্ড নয়। এর আগে , ২০০৯ সালে সে দুই পায়ের মাঝে বল নিয়ে হাত দিয়ে হেঁটে বিশ্ববাসীকে দেখিয়েছিল পালোয়ান কাকে বলে ! গিউলিয়ানোর বাবা ইউলিয়ান স্ট্রোয়ে বলেন , ‘ছোটবেলা থেকেই গিউলিয়ানোর শরীরচর্চা এবং জিমে যাওয়ার প্রতি এক ধরনের নেশা ছিল। আমিও তাকে কখনো না করতাম না। সব সময় তাকে জিমে নিয়ে যেতাম। সে খেলতে খেলতেই এক সময় পুশ আপ করা শিখে যায় এবং একদিন হঠাৎ সে আমাকে এই বোতলে পুশ-আপ করে দেখায় , যা প্রথমে দেখে আমি ভয় পেয়েছিলাম। কিন্তু পরে বুঝতে পেরেছি , এটা আসলে তার একটা মেধা। ’ আপলোড হওয়ার পর গিউলিয়ানোর এই ভিডিওটি এরই মধ্যে এক লাখ ৮২ হাজার ৯০৮ জন দেখে ফেলেছে। গিউলিয়ানোও এটা জেনে বেশ খুশি। সে এভাবেই সবসময় তার পালোয়ানি কর্মকা – গুলো নিয়ে ব্যস্ত থাকতে চায় এবং চায় বড় হয়ে সে হবে একটা জিমের মালিক।

1

No Responses

Write a response