ক্রসফায়ারে শতকোটি ডলার আয় !!

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালোই আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছিআবারও হাজির হলাম আপনাদের সামনে নতুন কিছু নিয়ে । এবার আসুন শুরু করি…

সংবাদের শিরোনাম দেখে হয়তো আঁতকে উঠতে পারেন অনেকে, ভাবতে পারেন নিশ্চয়ই এটা একটা  রাজনৈতিক খেলাএটাই স্বাভাবিক কারন বাংলাদেশে এই শব্দটা অনেক আলোচিত বিতর্কিতযাই হোক এবার মূল কথায় আসি আসলে ক্রসফায়ার দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় একটি অনলাইন ফার্স্ট পারসন শ্যুটার গেমের নাম২০১৩ সালে গেম আয় করেছে ১০০ কোটি ডলারহিসাবে গেমটি এখন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয় করা অনলাইন গেম

আয়ের ক্ষেত্রে ‘ক্রসফায়ার’ টেক্কা দিয়েছে আন্তর্জাতিক অনলাইন অপর গেম লিগ অব লিজেন্ডকে। তবে ক্রসফায়ার খেলতে কোনো ধরনের পয়সা গুনতে হয় না। শুধু গেমের চরিত্রকে আরো উন্নত করতে ইন-গেম উপাদান পেতে চাইলে তা কিনতে হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ায় গেমটি চালু হয় ২০০৭ সালে। গেমটি তৈরি করা হয়েছে জনপ্রিয় কাউন্টার স্ট্রাইকের আদলে। তবে কাউন্টার স্ট্রাইকের চেয়ে এটি অনেক বেশি পরিবর্ধিত ও বিস্তৃত। এখানে রয়েছে কয়েক ডজন ম্যাপ, গেম মোড, হরেক রকম অস্ত্র ও চরিত্র।

তবে আর্থিকভাবে ব্যাপক সাফল্য পেলেও বিশ্ববাজারে তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি গেমটি। বিশেষ করে অনলাইনে প্রচলিত প্রতিযোগিতামূলক গেমগুলোর মতো মোটেও পরিচিতি পায়নি এটি। অন্যদিকে তেমন সাফল্য না পেলেও গত বছর নিজেদের এসপোর্টস জেনেসিস প্লাটফর্মের মাধ্যমে নিয়মিত গেমিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে চীনের টেনসেন্ট। সম্প্রতি তাদের এক প্রতিযোগিতায় পুরস্কার ছিল ১ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্রসফায়ারের মূল সাফল্য এসেছে তাদের পে টু উইন অবকাঠামোর মাধ্যমে। এ ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতায় ভালো ফলাফল করতে কিংবা চরিত্রের ক্ষমতা বাড়াতে ইন-গেম উপাদান বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। এমনকি গেমটিতে বডি আর্মার পেতেও অর্থ গুনতে হয়। আবার গেমটিতে চিট কোডের ব্যবহারও যেকোনো অনলাইন গেমের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি।
২০১৩ সালে লিগ অব লিজেন্ড আয় করেছে ৬২ কোটি ৪০ লাখ ডলার। গড়ে ১০ কোটি ডলার করে আয় করেছে ওয়ার্ল্ড অব ট্যাংকস, ওয়ার্ল্ড অব ওয়ারক্রাফট, টিম ফোর্ট্রেস টু ও কাউন্টার স্ট্রাইক অনলাইনের মতো গেমগুলো।

সুত্র- ডেইলি ডট

ধন্যবাদ সবাইকে কষ্ট করে টিউনটি পড়ার জন্য! দেখা হবে আগামি টিউন এ। আল্লাহ হাফেজ..

ফেসবুকে আমি এখানে

 

No Responses

Write a response