কুকুর পোষা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ..

 কুকুর পোষা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ..একেক পরিবারে পোষা প্রাণী রাখা নিয়ে আছে একেক রকমের মতামত। কিছু পরিবারে তো পোষা প্রাণী রাখার প্রশ্নই ওঠে না, কারো বাড়িতে আবার এ নিয়ে একচোট ঝগড়া হয়ে যায়। এটা আসলে একান্তই ব্যক্তিগত একটা ব্যাপার। কিন্তু যাদের বাড়িতে কুকুর পোষা হয়, তারা পেতে পারেন বেশ চমৎকার কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা। অবাক হচ্ছেন? আসুন দেখে নিন কী সেসব উপকারিতা।

১) ব্যায়াম করার সুযোগ বেশি থাকে

এর জন্য অবশ্যই পোষা কুকুরের সাথে খেলাধুলা করার মানসিকতা থাকতে হবে। তবে এটা গবেষণায় প্রমাণিত যে যাদের কুকুর আছে তারা অন্যদের চাইতে শারীরিকভাবে বেশি সক্রিয় থাকেন। ২০০০ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, যাদের কুকুর আছে তারা এর সাথে খেলতে খেলতে সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন আধা ঘণ্টার বেশি ব্যায়াম করার সুযোগ পেয়ে থাকেন।

২) সার্বিকভাবে ভালো স্বাস্থ্য উপভোগ করেন তারা

কুকুর পোষা শুরু করার এক মাসের মাথায় অনেকেরই জীবনযাত্রায় ভালো কিছু পরিবর্তন আসে। যেমন নিয়মিত হাত ধোয়া, নিয়ম করে ঘর পরিষ্কার ও খোলামেলা রাখা ইত্যাদি।

৩) মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি

পোষা প্রাণী মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যেও যথেষ্টই উপকারী। ২০১১ সালের এক গবেষণায় বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের ২১৭ জন মানুষের ব্যাপারে তথ্য নেওয়া হয়। দেখা যায়, এর মাঝে যাদের পোষা প্রাণী আছে তারা অন্যদের চাইতে বেশি হাসিখুশি, সুস্থ এবং তাদের জীবনযাত্রা অনেকটাই ভালো। পোষা প্রাণী থাকলে তাদের সামাজিক পরিস্থিতি ভালো হয় বলে মনে করেন গবেষকেরা।

৪) অ্যালার্জির ঝুঁকি কমায়

পোষা প্রাণীর শরীর থেকে অ্যালার্জি হয়ে যাবে পরিবারের বাচ্চাদের মাঝে- এই ঝঞ্ঝাটের ভয়েই অনেকে কুকুর পোষার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করেন। আসলে কিন্তু তার উল্টোটা হয়। ২০১০ সালের এক গবেষণা বলছে, যেসব বাচ্চারা ছোটবেলা থেকেই বাড়ির পোষা কুকুরের সংস্পর্শে থাকতে অভ্যস্ত, তাদের একজিমা হবার ঝুঁকি থাকে কম। এই গবেষণা বেড়ালে ওপরেও করা হয় কিন্তু দেখা যায়, বেড়াল থাকলে বরং অ্যালার্জির ঝুঁকি বাড়ে।

সোর্সঃ ইন্টারনেট

No Responses

Write a response