উইন্ডোজ এক্সপি উইন্ডোজ সেভেন এবং উইন্ডোজ ৮ এর কিছু প্রয়োজনীয় টিপস

শীতের আবহাওয়ায় ভালই দিন কাল কাটছে সবার । তাই আশা করছি সর্দি-ঠান্ডা সব কিছু নিয়ে ভালই আছেন 😛 । ভাল না থাকলে সমস্যা নাই , নিয়মিত ঔশুধ খাবেন ,শীগ্রয় ভাল হয়ে যাবেন । যা হোক মূল কথায় আশা যাক । আজকে আমি কিছু টিপস শেয়ার করবো যা সব রকম উইন্ডোজ ইউসারদের জন্য কাজে লাগবে । তাহলে শুরু করা যাক —

windows-tips

  • উইন্ডোজ সেভেন  টিপস

 

১. বাড়িয়ে নিন টাস্কবার Thumbnails এর গতি

উইন্ডোজ সেভেনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এর চমৎকার টাস্কবার এবং এর Thumbnails. যেকোন উইন্ডোর প্রিভিউ এখন এখান থেকেই দেখে নিতে পারেন। কিন্তু Thumbnail এর গতি কিছুটা কম হওয়ার সময়ের অপচয় ঘটে। তবে আপনি চাইলেই এর গতি বাড়িয়ে নিতে পারেন। এজন্য Start মেনুতে যেয়ে regedit লিখে Registry Editor-এ প্রবেশ করুন। সেখান থেকে HKEY_CURRENT_USER\Control Panel\Mouse এ যান। এবার MouseHoverTime এ ডাবল ক্লিক করুন। সেখানে এর ভ্যালু 400 দেয়া রয়েছে অর্থাৎ কোন নির্দেশ পাওয়ার পর তা ৪০০ মিলিসেকেন্ড অপেক্ষা করবে। আপনি সেটা কমিয়ে আনলেই তা আরো দ্রুত কাজ করবে। সবোর্চ্চ গতি পেতে ভ্যালু 0 করে দিন। কিন্তু সেক্ষেত্রে ভিজুয়াল ইফেক্ট আর দেখতে পারবেন না। তাই আমার মতে ভ্যালুটি 100 করে দেয়াই ভাল। কারন 100 করে দিলে ভিজুয়াল ইফেক্টের পাশাপাশি দ্রুত গতিতেও কাজ করবে।

২. মাউস ছাড়াই দেখুন টাস্কবার

সাধারণত টাস্কবারের উপর মাউস রাখলেই Thumbnail দেখা যায়। কিন্তু মাউস না থাকলে বা মাউসে কোন সমস্যা হলে মাউস ছাড়াই তা দেখে নিতে পারেন। এজন্য উইন্ডোজ কী চেপে ধরে T চাপুন। পরবর্তি Thumbnail দেখতে আবার T চাপুন। এভাবে টাস্কবার ছাড়াই দেখে নিতে পারেন যে কোন চলন্ত উইন্ডো বা অ্যাপ্লিকেশনের  Thumbnail.

৩. মাউস ছাড়াই চালু করুন টাস্কবারের অ্যাপ্লিকেশন

টাস্কবারে থাকা অ্যাপ্লিকেশনগুলো আমরা সাধারণত মাউসের সাহায্যেই ওপেন করে থাকি। তবে শুধুমাত্র কীবোর্ডের সাহায্যেই আপনি অ্যাপ্লিকেশনগুলো চালু করতে পারেন। এজন্য উইন্ডোজ কী টি চেপে ধরে টাস্কবারে অবস্থানরত আপনার অ্যাপ্লিকেশনটির নম্বর অর্থাৎ 1,2,3,4 বা যে নম্বরে অ্যাপ্লিকেশনটি আছে সেটা চাপুন। ছবিতে দেখছেন মজিলা ফায়ারফক্সের অবস্থান ৪-এ। সেক্ষেত্রে উইন্ডোজ কী চেপে ধরে 4 চাপলেই ফায়ারফক্স চালু হয়ে যাবে।

৪. টাস্কবার এক্সপ্লোরারে যুক্ত করুন যে কোন ফোল্ডার

 

যারা উইন্ডোজ সেভেন ব্যবহার করেছেন তাদের সবাই-ই হয়তো টাস্কবারে এক্সপ্লোরার আইকনটি লক্ষ্য করেছেন। এক্সপ্লোরার আইকনে ক্লিক করলে সেটা সরাসরি উইন্ডোজ লাইব্রেরিতে নিয়ে যায়। তবে আপনি যদি উইন্ডোজ লাইব্রেরিতে আপনার ফাইল সংরক্ষণ না করে অন্য কোন স্থানে করেন তাহলে এক্সপ্লোরার আইকনের মাধ্যমেই সরাসরি সেই ফোল্ডারে যেতে পারেন। এজন্য এক্সপ্লোরার আইকনটিতে যেয়ে মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করে আবার Windows Explorer এর  ডান বাটনে ক্লিক করুন এবং Properties এ যান। এবার শর্টকাট ট্যাব এর টার্গেট এ যেয়ে %windir%\explorer.exe লেখাটির শেষে একটা স্পেস দিয়ে আপনার পছন্দের ড্রাইভ বা ফোল্ডারের ঠিকানা লিখুন অর্থাৎ আপনি যদি এক্সপ্লোরারে ক্লিক করে সরাসরি C ড্রাইভে যেতে চান তাহলে লিখুন %windir%\explorer.exe c:
আবার আপনি যদি C ড্রাইভে থাকা কোন ফোল্ডারে যেতে চান তাহলে লিখুন %windir%\explorer.exe c:\folder name অর্থাৎ ফোল্ডার এর নাম এর জায়গায় আপনার পছন্দের ফোল্ডারটির নাম লিখুন এবং Ok দিয়ে এক্সপ্লোরার আইকনে ক্লিক করে দেখুন সরাসরি আপনার কাঙ্খিত ফোল্ডার বা ড্রাইভে চলে গেছে। এভাবে আপনি যে কোন ড্রাইভ বা যেকোন ফোল্ডারকে এক্সপ্লোরার এর ডিফল্ট লোকেশন হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।
তাছাড়া আপনি চাইলে কম্পিউটার বা মাই ডকুমেন্টসও যুক্ত করতে পারেন। এজন্য নিচের ঠিকানাগুলো লিখুন:
কম্পিউটার:

৫. মূহুর্তেই মিনিমাইজ করুন সকল উইন্ডো

আমরা অনেকেই একসাথে অনেকগুলো উইন্ডো ওপেন করে কাজ করতে অভ্যস্ত। কিন্তু যখন কাজের অনেক চাপ থাকে এবং হাতে সময় খুবই কম থাকে তখন একটা একটা করে সকল উইন্ডো মিনিমাইজ করতে সময়ের অপচয় হয়। কিন্তু এখন উইন্ডোজ সেভেনে আপনি চাইলে যে উইন্ডোতে কাজ করছেন সেটা ছাড়া সকল উইন্ডো কোন ঝামেলা ছাড়া এক মূহুর্তেই মিনিমাইজ করে দিতে পারেন। এজন্য দুটি পদ্ধতি রয়েছে:
একটি হল কীবোর্ড শর্টকাট। উইন্ডোজ কী চেপে ধরে হোম বাটনটি চাপলেই আপনার কাঙ্খিত উইন্ডোটি ছাড়া সব উইন্ডো মিনিমাইজড হয়ে যাবে। আবার একই পদ্ধতি অনুসরণ করে উইন্ডোগুলো আবার ফিরিয়ে আনতে পারেন।
আর দ্বিতীয় পদ্ধতিটি শুধুমাত্র মাউসের সাহায্যে করতে পারেন। অর্থাৎ কীবোর্ডে কোন সমস্যা থাকলেও নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারবেন। এটাকে আপনি শেক কনট্রোলবলতে পারেন। আপনি যে উইন্ডোটি রাখতে চান সেটার উপরে ক্লিক করে একটু ঝাকিয়ে নিন অর্থাৎ উইন্ডোটি সামান্য ডানে-বামে বা উপর-নিচে দ্রুত মুভ করুন। দেখবেন সেই উইন্ডো ব্যতীত সকল উইন্ডো মিনিমাইজড হয়ে গেছে। ফিরিয়ে আনার জন্য একই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

৬. মাউস দিয়েই সিলেক্ট করুন একাধিক নির্দিষ্ট ফাইল

 

এতদিন একাধিক নির্দিষ্ট ফাইল সিলেক্ট করার ক্ষেত্রে কীবোর্ডের বিকল্প ছিলনা। কারন নির্দিষ্ট ফাইল সিলেক্ট করতে Ctrl কী চেপে সিলেক্ট করতে হতো। তবে কীবোর্ড নষ্ট হয়ে গেলে এক্ষেত্রে বেশ বিপদেই পড়তে হয়। কিন্তু উইন্ডোজ সেভেন আর এই সমস্যা হবেনা কারন আপনি মাউস দিয়ে চেক বক্সের সাহায্যেই সিলেক্ট করে নিতে পারেন যেকোন নির্দিষ্ট ফাইল। এজন্য Computer-এ যেয়ে Organize এর Folder Option-এ যান। সেখান থেকে View ট্যাব সিলেক্ট করে “Use check boxes to select items” এ টিক চিহ্ন দিয়ে দিন। এরপর প্রতিটি ফাইলের পাশেই একটি চেক বক্স দেখাতে পাবেন। এই চেক বক্সের সাহায্যেই সিলেক্ট করে নিতে পারেন একাধিক নির্দিষ্ট ফাইল।

 

৭. ফিরিয়ে নিন Quick Launch ও ভিস্তার Window Switcher

আমরা অনেকই উইন্ডোজের Quick Launch টুলবারটি ব্যবহারে অভ্যস্থ। কিন্তু উইন্ডোজ সেভেনে টাস্কবারেই সেই সুবিধা যোগ করায় Quick Launch টুলবারটি সরাসরি যুক্ত করে দেয়নি। তাছাড়া ভিস্তার স্টাইলিশ Switch between windows টিও সেভেনে সরাসরি খুজে পাওয়া যায়না। কিন্তু আপনি চাইলে এই দুটোই খুব সহজে যুক্ত করে নিতে পারেন কারন এগুলো সেভেনের মাঝেই দেয়া রয়েছে। এজন্য টাস্কবারের খালি জায়াগায় ডান বাটনে ক্লিক করে Toolbar এ যান এবং সেখান থেকে New Toolbar সিলেক্ট করে Folder এর স্থানে %userprofile%\AppData\Roaming\Microsoft\Internet Explorer\Quick Launch লিখে Set Folder দিন। এবার টাস্কবারের একেবারে ডানে দেখুন Quick Launch টুলবারটি যুক্ত হয়েছে এবং সেখানে উইন্ডোজ ভিস্তার Switch between windows অপশনটিও রয়েছে।

৮. সরাসরি ম্যাগনিফাই করুন কোন ঝামেলা ছাড়াই

ম্যাগনিফাই করে দেখতে মূলত আমরা উইন্ডোজ ম্যাগনিফাইয়ার ব্যবহার করি। কিন্তু হাতে সময় কম থাকলে তা চালু করতে গেলে সময়ের অপচয় ঘটে। কিন্তু আপনি চাইলে কীবোর্ড শর্টকাটের মাধ্যমেই তা করে নিতে পারেন। এজন্য উইন্ডোজ কী চেপে ধরে শুধুমাত্র + বা – কী চাপুন। দেখবেন উইন্ডোজ ম্যাগনিফাইয়ার কাজ করছে।

৯. এক্সপ্লোরারেই দেখুন খালি ড্রাইভসহ সকল ড্রাইভ

উইন্ডোজ সেভেনের একটি বিরক্তিকর বৈশিষ্ট্য হল কোন খালি ড্রাইভ যুক্ত করলে সেটা আর কম্পিউটারে দেখায়না। অর্থাৎ আপনি যদি কোন খালি পেনড্রাইভ বা যে কোন ফ্ল্যাশড্রইভ কম্পিউটারে যুক্ত করেন তাহলে সেটা আর দেখাবেনা। এটা ডিফল্ট সেটিংস-এ দিয়ে দেয়া একদমই মানায়না কারন এতে অনেকেই ভাবতে পারেন তার পেনড্রাইভে হয়তো সমস্যা আছে। তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। আপনি চাইলে খালি ড্রাইভকেও এক্সপ্লোরারে নিয়ে আসতে পারেন। এজন্য Computer-এ যেয়ে Organize এর Folder Option-এ যান। সেখান থেকে View ট্যাব সিলেক্ট করে সেখান থেকে “Hide empty drives in the Computer folder” অপশনটি থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিন। এখন যে কোন খালি ড্রাইভও আপনার কম্পিউটারেই দেখতে পারবেন।

১০. ফিরিয়ে আনুন ভিস্তার টাস্কবার

উইন্ডোজ সেভেন এর বিশাল টাস্কবারটি অনেকের ভাল নাও লাগতে পারে বিশেষ করে যারা উইন্ডোজ এক্সপি বা পুরোনো অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারে অভ্যস্থ তাদের জন্য টাস্কবারটির আকৃতি অপেক্ষাকৃত বেশ বড়ই। কিন্তু আপনি চাইলে ভিস্তার ছোট আকৃতির টাস্কবারকেই ফিরিয়ে আনতে পারেন। এজন্য টাস্কবারে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান এবং সেখানে Taskbar ট্যাব থেকে “Use small icons” -এ টিক চিহ্ন দিয়ে দিন। এবার OK দিয়ে দেখুন টাস্কবারটি ভিস্তার টাস্কবারের আকৃতি ধারন করেছে।
আশা করি টিপসগুলো উইন্ডোজ সেভেন ব্যবহারকারীদের কাজে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

  • উইন্ডোজ এক্সপি থেকে সুরক্ষিত থাকার ৫ টি টিপস

সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহারঃ আপনার উইন্ডোজ এক্সপির সংস্করণ সর্বশেষ কী না তা নিশ্চিত করুণ । যদি না হয়ে থাকে তবে আপডেট করে নিন । ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে আপডেট করে নিতে পারেন , যতটা সম্ভব নিরাপত্তা নিশ্চিত করুণ । কেননা এর পর উইন্ডোজ এক্সপি আর পূর্বের মত তাদের সেবা প্রদান করবেনা ।

অ্যান্টিভাইরাস আপডেটঃ আপনার অ্যান্টিভাইরাস কী আপডেট নাকি নিশ্চিত করুণ । উইন্ডোজ এক্সপি তাদের এডড – অন – অ্যাপ উইন্ডোজ সেবা ২০১৫ সাল পর্যন্ত দিবে বলে জানিয়েছে , তাই এই সেবা আপডেট করে নিতে পারেন ।

ই-মেইল ব্যবহারে সতর্কঃ ই- মেইল ব্যবহারে আর সতর্ক হতে হবে । যে কারো মেইল খুলে পরবেনা । বিশেষ করে ফাইল যুক্ত মেইল । ফাইল যুক্ত মেইল ডাউনলোড করবেনা । অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত মেইল আসে , সেই সব মেইল পরবেনা বা ডাউনলোড করবেনা ।

সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইটঃ সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইট সমূহ ব্যবহারে আরো সতর্ক হতে হবে । গান – ছবি – ভিডিও ডাউনলোড থেকে বিরত থাকুন । যে কারো মেইল পরবেনা । সব লিংককে ক্লিক করবেনা ।

ইউএসবি , সিডি ও ডিভিডি ব্যবহারে সচেতনঃ এক্সট্রা মেমরি ব্যবহারে ক্ষেত্রে সতর্ক ও সচেতন হতে হবে । নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে সব ইউএসবি , সিডি , ডিভিডি ব্যবহার থেকে নিজেকে বিরত রাখুন । শুধু মাত্র বিশ্বাসযোগ্য

 

  • উইন্ডোজ ৮ এর স্পীড বাড়ানোর জন্য  টিপস

১)অ্যানিমেশন Disable করুন

উইন্ডোজ ৮-এ আমরা যখন কোন উইন্ডো মিনিমাইজ, মেক্সিমাইজ, ওপেন বা ক্লোজ করি তখন বিভিন্ন অ্যানিমেশন দেখায়। এই অ্যানিমেশগুলো আমাদের হয়তোবা চোখে দেখতে সুন্দর লাগতে পারে কিন্তু এগুলো আমাদের পিসিকে স্লো করে দেয়। আপনি চাইলে এই অ্যানিমেশনগুলো বন্ধ করে দিতে পারেন।

এই অ্যানিমেশনগুলো বন্ধ করতে হলে প্রথমে উইন্ডোজ বাটন ক্লিক করি তারপরSystemPerformanceProperties  টাইপ করে Enter  প্রেস করি। এই  “Animate windows when minimizing and maximizing” অপশনটি আনচেক করুন। আপনি চাইলে “Fade or slide menus into view” এবং “Fade or slide ToolTips into view” অপশনগুলো আনচেক করে দিতে পারেন। এতে করে menu এবং tooltipsগুলো অ্যানিমেশন ফেডিং ছাড়া দেখাবে।

২)উইন্ডোজ এর Security প্রোগ্রামগুলো ব্যাবহার করুন

আমরা উইন্ডোজের নিরাপত্তা জন্য বিভিন্ন রকম third-party সিকিউরিটি সফটওয়্যার বা অ্যান্টিভাইরাস ব্যাবহার করে থাকি, যেগুলো আমাদের পিসিকে স্লো করে দেয়। নতুন উইন্ডোজের built-in একটি সিকিউরিটি অ্যাপ্লিকেশান Windows Defender রয়েছে, যার মাধ্যমে আমরা অ্যান্টিভাইরাসের এর মত কাজ করতে পারি।

উইন্ডোজ ৮-এর একটি নতুন ফিচার হচ্ছে SmartScreen, যার নিরাপদ ডাউনলোডর নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে। উইন্ডোজের পূর্ববর্তী ভার্সনগুলোর মত নতুন ভার্সনেও একটি ফায়ারওয়াল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা কম্পিউটারের সামগ্রিক নিরাপত্তা প্রদান করে। আপনি যদি এর চেয়ে ভাল নিরাপত্তা প্রয়োজন হয় তবে আপনাকে কোন ভাল অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু অধিকাংশ ব্যবহারকারী তাদের কম্পিউটারের নিরাপত্তার জন্য উইন্ডোজ ৮-এর built-in সিকিউরিটি অ্যাপ্লিকেশানটি বেছে নেয়।

৩)Power Setting পরিবর্তন করুন

উইন্ডোজের পূর্ববর্তী ভার্সনগুলো মত উইন্ডোজ ৮-এ ও battery life (ল্যাপটপের জন্য) এবং performance কে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। আপনি যদি আপনার উইন্ডোজের power plan দেখতে চান তবে উইন্ডোজ বাটন ক্লিক করে Power Plan টাইপ করি, Settings -এ ক্লিক করি এবং Enter প্রেস করি।

উইন্ডোজ default মোডে স্বয়ংক্রিয়ভাবে CPU-এর গতি কমিয়ে দেয় যতক্ষণ পর্যন্ত না গতি বাড়ানোর প্রয়োজন হয়। এভাবে আপনি কম্পিউটারের গতি বাড়াতে পারেন। হাই পারফরম্যান্স মোডে আপনার CPU-এর গতি কমে না। এটা পূর্ণ গতিতে সব সময় রান করে।

তবে, এটি কোন ভাল জিনিস না। আপনি যদি একটা হাই পারফরম্যান্স গেমিং পিসি শুধু ওয়েব ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহার করেন তবে এটি CPU-এর উপর কোন প্রভাব ফেলবে না বরং এর মাধ্যমে power waste হবে এবং অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন করবে যেটা আপনার CPU-এর জন্য ক্ষতিকর।

৪)আপনার কম্পিউটারকে Sleep করে রাখুন

উইন্ডোজ ৮-এর সবচেয়ে বিতর্কিত একটি বিষয় হল এর Shut Down অপশনটি লুকানো। মাইক্রোসফট চায় আপনি আপনার কম্পিউটারকে Shut Down করার পরিবর্তে Sleep মোডে নিয়ে যান। আপনি যখন Sleep মোডে যাবেন তখন আপনার কম্পিউটার খুব কম power ব্যবহার করে যেটা শুধুমাত্র আপনার প্রোগ্রাম এবং ফাইলগুলোর active রাখার জন্য প্রয়োজন। যখন আপনি আপনার কম্পিউটারে ফিরে আসবেন, খুব দ্রুত এটি পুনরায় কাজ শুরু করবে। Shut Down এর পরিবর্তে আপনি যদি Sleep মোডে ব্যবহার করেন তবে কম্পিউটার অনেক বেশি দ্রুত হবে।

Sleep অপশনটি খুঁজে পেতে হলে power button -এর Settings -এ যেতে হবে (প্রস Windows কী + C, ক্লিক Settings, ক্লিক Power এবং সিলেক্ট Sleep)। আপনার কম্পিউটারের পাওয়ার বাটন থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে Sleep মোড কনফিগার করা যাবে। আপনি চাইলে Power Options থেকে power button এর কাজ পরিবর্তন করতে পারেন।

৫)আপনার স্টার্টআপ প্রোগ্রামগুলো ম্যানেজ করুন

উইন্ডোজ ৮-এর নতুন Task Manager থেকে খুব সহজে প্রয়োজন নাই এমন স্টার্টআপ প্রোগ্রামগুলো Disable করতে পারেন। Task Manager থেকে Startup ট্যাব ক্লিক করে এই কাজ করতে  হবে। কোন প্রোগ্রাম স্টার্ট হতে এবং তার ইনফরমেশন ডিসপ্লে করতে কি পরিমাণ সময় লাগে তা Startup impact column-এ দেয়া থাকে। এখান থেকে কোন প্রোগ্রাম সিলেক্ট করে Disable বাটনে ক্লিক করলে সে প্রোগ্রাম উইন্ডোজ স্টার্ট হওয়ার সময় আর চালু হবে না। এতে করে আপনার উইন্ডোজের স্পীড বাড়বে বোই কমবে না।

৬)বেশি Resource ব্যাবহার করে এমন টাস্কগুলো বন্ধ করুন

আপনার কম্পিউটারকে যে সকল প্রোগ্রাম স্লো করে উইন্ডোজ ৮-এর নতুন task manager সেগুলো দেখাবে। উইন্ডোজ ৮ এর dektop taskbar-এ right-click করে Task Manager ওপেন করুন। আপনি যদি সম্পূর্ণ interface দেখতে চান তবে More details-এ ক্লিক করুন। যে সকল Applications বেশি পরিমাণ কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে সেইসকল অ্যাপ্লিকেশানগুলো highlighted অবস্থায় দেখাবে। এখানে অ্যাপ্লিকেশানের একটা simplified লিস্ট দেখাবে, এতে আপনি খুব সহজে বুঝতে পারবেন কোনগুলো old-style লিস্ট (Details tab-এ old-style প্রোসেসগুলোর লিস্ট রয়েছে এগুলো অনেক ফাস্ট কাজ করে)।

পোস্ট ভিবিন্ন পোস্ট থেকে সংগ্রহ করে রিপোস্ট করা হয়ছে । ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টীতে দেখবেন । ধন্যবাদ

 

আমার ফেসবুকঃ http://www.facebook.com/mhnazmul

আমার ওয়েবসাইটঃ বাংলাব্লগ

পূর্বে প্রকাশিত্ঃ উইন্ডোজ এক্সপি উইন্ডোজ সেভেন এবং উইন্ডোজ ৮ এর কিছু প্রয়োজনীয় টিপস

আমি একজন ছাত্র । প্রযুক্তিকে খুব ভালোবাসি । তাই পড়ালেখার ব্যস্ততার মাঝেও চাই কিছু শেয়ার করতে ,মানুষকে কিছু জানাতে । আসলে আমার দ্বারা যদি কারো উপকার হয় তাহলে আমার যে কি আনন্দ লাগে তা বলে বুজাতে পারবো না । আমার মনে হয় সবারই এই রকম লাগে । তাই আজ থেকে আপনিও শুরু করে দিন ব্লগিং । আর কোন সহযোগিতা লাগলে অবশ্যয় আমাকে নক করবেন । আমার পোস্টগুলি কেমন লাগল তা অবশ্যয় কমেন্ট এ জানাবেন ।

মন্তব্যগুলি

মন্তব্যগুলি

1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (No Ratings Yet)
Loading...