আরফিনের বিচার শুরু ১১ সেপ্টেম্বর

আরফিনের বিচার শুরু ১১ সেপ্টেম্বরসঙ্গীত ভুবনের বিতর্কিত তারকায় পরিণত হয়েছেন তিনি। প্রেম এবং দ্বিতীয় বিয়ের কারণে বরাবই সমালোচিত হয়েছেন তিনি। শ্রোতাপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আরফিন রুমির প্রথম স্ত্রী লামিয়া ইসলাম অনন্যার দায়ের করা মামলায় সমঝোতা না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছে আদালত। রোববার ঢাকার চার নাম্বার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আরিফুর রহমান তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর জন্য ১১ সেপ্টেম্বর দিন ঠিক করেন।

এই আদালতের পেশকার ফোরকান মিয়া বলেন, রোববার আরফিন রুমি আদালতে হাজির হয়ে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলে বিচারক তার বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন ফোরকান মিয়া এবং আসামি পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমানের সহযোগী আবুল কালাম আজাদ। সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ঠিক হলেও সমঝোতার সুযোগ এখনো শেষ হয়ে যায়নি জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

পিপি ফোরকান বলেন, সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগেও সমঝোতা হতে পারে। দুই পক্ষের মধ্যে কোনো মীমাংসা না হওয়ায় ১৭ জুন বিচারক আরিফুর রহমান অভিযোগ গঠনের জন্য ১০ অগাস্ট দিন রাখেন। আরফিন রুমির আইনজীবীর আবেদনে তার জামিনের মেয়াদও আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তখন রুমির আইনজীবী

সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেন, এর আগে দুইবার আরফিন রুমির পক্ষে অনন্যার সঙ্গে সালিশে বসেন তিনি। কিন্তু অনন্যা কোনো বিষয়েই রুমিকে ছাড় দিতে রাজি হননি। আপস করতে হলে দুই পক্ষকেই কিছু শর্ত শিথিল করতে হবে।

রুমির পক্ষ থেকে বিচারককে বলা হয়েছে, পরবর্তী তারিখের আগেই আপসনামা অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ করার চেষ্টা করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে পরিবারের সম্মতিতে দূরবীন ব্যান্ডের তখনকার ভোকাল আরফিন রুমির সঙ্গে অনন্যার বিয়ে হয়। অনন্যার সঙ্গে সম্পর্ক রেখেই ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কামরুন্নেসাকে বিয়ে করেন তিনি। দুই স্ত্রীকে নিয়ে একসঙ্গে এক বাড়িতেই থাকতেন আরফিন রুমি। এক অনুষ্ঠানে দুই স্ত্রীকে নিয়ে দেখাও গেছে তাকে।

তবে দ্বিতীয় বিয়ের এক বছর পর যৌতুকের জন্য নির্যাতন এবং অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগ এনে আরফিন রুমির বিরুদ্ধে অনন্যা একটি মামলা করেন। সেই মামলায় এই গায়ক গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। গ্রেপ্তারের পর গত বছরের ১২ অক্টোবর কারাগারে পাঠানো হয় তাকে। এর ২ দিন পর আবার অনন্যারই জিম্মায় জামিন পান তিনি।

No Responses

Write a response