আজ বন্ধু দিবসে তোকে মিস করছি ভীষণ !

আজ বন্ধু দিবসে তোকে মিস করছি ভীষণ ! ‘বন্ধু তোমার পথের সাথীকে চিনে নিও/মনের মাঝেতে চিরোদিন তারে ডেকে নিও’ অথবা ‘বন্ধু তোর বারাত নিয়া আমি যাবো’ কিংবা ‘বন্ধু তিনদিন তোর বাড়িতে গেলাম দেখা পাইলাম না’ বা ‘আমার বন্ধু নিরঞ্জন’ এছাড়া ‘অমল কান্তি আমার বন্ধু’ এরকমভাবে অসংখ্য গান, কবিতা, নাটক, গল্প এবং উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অলংকৃত করেছে একটি শব্দ আর তা হলো ‘বন্ধু’। একটি সম্পর্ক যা ছাপিয়ে যায় সবকিছুকে, সেটি হলো ‘বন্ধুত্ব’। বন্ধু এবং বন্ধুত্বকে নিয়ে হয়েছে অসংখ্য চলচ্চিত্রও। আর এই বন্ধুত্ব বিশেষভাবে উদযাপন করার জন্য ১৯৫৮ সালে প্যারাগুয়েতে প্রথম প্রবর্তন হয় ‘বন্ধু দিবস’র। যা পরে ধীরে ধীরে সারাবিশ্বে উদযাপিত হতে শুরু করে।

তবে মার্কিনিদের দাবি, ১৯৩৫ সাল থেকেই বন্ধু দিবস পালনের প্রথা চলে আসছে তাদের দেশে। ১৯৩৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। দিনটি ছিল আগস্টের প্রথম শনিবার। তার প্রতিবাদে পরের দিন ওই ব্যক্তির একবন্ধু আত্মহত্যা করেন। এরপরই জীবনের নানা ক্ষেত্রে বন্ধুদের অবদান আর তাদের প্রতি সম্মান জানানোর লক্ষ্যেই মার্কিন কংগ্রেসে ১৯৩৫ সালে আগস্টের প্রথম রোববারকে বন্ধু দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রবর্তন যেখানেই হোক না কেন বর্তমানে এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বিশ্বের বহু দেশেই। প্রতিবছর আগস্টের প্রথম রোববার ‘বন্ধু দিবস’ পালিত হয়। এইদিন মানুষ তার বন্ধুদের বন্ধুত্বের চিহ্নস্বরূপ ‘ফ্রেন্ডশিপ ব্রেসলেট’ পরিয়ে দেয়। রঙ-বেরঙের কার্ড, এসএমএস, ম্যাসেঞ্জারসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ‘বন্ধু দিবস’র শুভেচ্ছা বিনিময় করে। কেক কেটে, জমিয়ে আড্ডায়, লং ড্রাইভে গিয়ে এবং উন্নত বিশ্বে নাইট ক্লাবে নেচে-গেয়ে মানুষ বন্ধু দিবস উদযাপন করে।

বিশেষ করে ফেসবুক, টুইটার, গুগোল প্লাসের মতো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো যখন থেকে জনপ্রিয় হতে শুরু করলো তখন থেকেই বন্ধু দিবসের ব্যাপকতা আরো বৃদ্ধি পায়।

বন্ধু দিবসে বিশ্বের সকল বন্ধুদের জানাই শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

সোর্সঃ ইন্টারনেট

No Responses

Write a response