আগামী ২০ বছরের মধ্যে এলিয়েনের অস্তিত্ব খুঁজে পেতে আশাবাদী নাসা !

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার প্রধানের সঙ্গে শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানীদের এক মিটিংয়ের পর জানানো হয়, আগামী ২০ বছরের মধ্যে এলিয়েনের অস্তিত্ব খুঁজে পেতে আশাবাদী প্রতিষ্ঠানটি। তবে নাসা জানিয়েছে, তারা মনে করে পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব থাকলেও সেটি আমাদের সৌরজগতের বাইরে হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

তারা বলেন, আগামী ২০ বছরের মধ্যে আমরা দেখাতে পারব, এই মহাবিশ্বে আমরা একা নই। আর এ তথ্য সব কিছুই বদলে দেবে। এ ধারণা ডালপালা মেলতে শুরু করে কেপলার স্পেস টেলিস্কোপের সাফল্যের পরই। মূলত পৃথিবী থেকে অনেক দূরে অবস্থিত তারা কিংবা অন্যান্য গ্রহের খোঁজ পেতেই টেলিস্কোপটি ডিজাইন করা হয়।

আর কাজটি ঠিকঠাক মতো করতেই সমর্থ হয় টেলিস্কোপটি। শুধু ২০১৪ সালেই প্রায় ৭০০ নতুন গ্রহের সন্ধান পায় টেলিস্কোপটি। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এখন মনে করেন, প্রতিটি তারকাকে কেন্দ্র করেই ঘুরছে কমপক্ষে একটি গ্রহ, কখনো আবার একের অধিক।

আপনি যখন দেখবেন, প্রায় ৩০০ কোটি তারকারাজি রয়েছে এই মিল্কিওয়েতে, প্রায় ১০০ কোটি ছায়াপথ রয়েছে এই মহাবিশ্বে আর রয়েছে অকল্পনীয় সংখ্যক গ্রহ, সে ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীদের এমন ধারণা করা খুবই স্বাভাবিক। তবে কেপলার নামক এই বিশেষ টেলিস্কোপটির দুটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

প্রথমত, এটি কেবল মোটামুটি বড় আকারের গ্রহ শনাক্ত করতে সক্ষম। দ্বিতীয়ত, নতুন গ্রহের পরিবেশ কেমন। তবে গ্রহের আকার গুরুত্বপূর্ণ নয়, গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব নির্ণয় করতে গেলে সেখানকার পরিবেশের অবস্থা জানাই গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে নাসা আরও দুটি নতুন টেলিস্কোপ সংযোজন করতে যাচ্ছে। এগুলো আরও গ্রহের অস্তিত্ব নির্ণয় করতে সক্ষম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

1

No Responses

Write a response